Search
Products, Categories and Users
Cotton
তুলা আমদানিতে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
TexBazar
06 Mar 2025
5 Mins read

ইউএসডিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আগস্টে শুরু হওয়া দেশটির ২০২৪–২৫ বাণিজ্য বছর শেষে বাংলাদেশের তুলা আমদানি বেড়ে ৮০ লাখ বেলে দাঁড়াতে পারে। যদিও গত অক্টোবরে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, চলতি বাণিজ্য বছরে বাংলাদেশের তুলা আমদানি হতে পারে ৭৮ লাখ বেল। এখন সেটি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মূলত তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাড়তে থাকায় দেশে তুলা আমদানির প্রবণতা বেড়েছে। গত ২০২৩–২৪ বাণিজ্য বছরে ৭৫ লাখ ৭৫ হাজার বেল তুলা আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, এক বেল সমান ৪৮০ পাউন্ড বা ২১৮ কিলোগ্রাম (কেজি)।
বাংলাদেশ বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর পরিচালক মোহা. খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ইউএসডিএর পূর্বাভাস তাত্ত্বিকভাবে ঠিক আছে, তবে বাস্তবতা ভিন্ন। আমাদের কারখানার সক্ষমতা অনুযায়ী এই হিসাবটি করা হয়েছে। বর্তমানে গ্যাস–সংকটের কারণে অধিকাংশ কারখানার উৎপাদন সক্ষমতার ৪০–৫০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে না। ফলে শেষ পর্যন্ত এত তুলা আসবে না। যেটুকু কম আসবে, তার বড় অংশই সুতা আকারে ভারত থেকে আসবে।
নিজের কারখানার উদাহরণ দিয়ে মোহা. খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমার দুটি স্পিনিং মিলে সব সময় তিন মাসের তুলা মজুত থাকে। যেহেতু উৎপাদন সক্ষমতার ৫০–৫৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে, ফলে গত চার মাস কোনো তুলা আমদানি করিনি। বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫১৯টি স্পিনিং মিল রয়েছে। তার মধ্যে কিছু মিল বন্ধ রয়েছে। এসব স্পিনিং মিল নিট কাপড়ের ৮৫-৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সুতা সরবরাহ করে থাকে।
বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল গত মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বলেন, সুতা উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। তবে গ্যাস–সংকটের কারণে বস্ত্রকলগুলো অর্ধেক চলে, অর্ধেক চলে না। কিছু বন্ধও হয়েছে। এদিকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে আগামী তিন–চার মাস ভালো ক্রয়াদেশ আছে; কিন্তু গ্যাস–সংকটের কারণে তাঁদের প্রয়োজনীয় সুতা সরবরাহ করতে পারছে না দেশি বস্ত্রকলগুলো।..